শনিবার, ৩১শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

NewsFile Institute
Home / Big Picture Stories  / অসমে ৫ জেলা কনটেইনমেন্ট জোন, নতুন নির্দেশিকা জারি

অসমে ৫ জেলা কনটেইনমেন্ট জোন, নতুন নির্দেশিকা জারি

আগামী ৭ দিন আগের মতোই বন্ধ থাকবে আন্তঃজেলা যাতায়াত। মঙ্গলবার ভোর ৫টা থেকে এই নতুন নির্দেশিকা কার্যকর হয়েছে।

মিঠুলাল চৌধুরী

অসমে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় গোলাঘাট, যোরহাট, লখিমপুর, শোনিতপুর ও বিশ্বনাথ এই ৫ জেলাকে আরও ৭ দিন কনটেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। মরিগাঁও এবং গোয়ালপাড়া জেলায় দুপুর ১২টা পর্যন্ত খোলা থাকবে দোকান ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। দুপুর ১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত জারি থাকবে করোনা কার্ফু। বাকি ২৭ জেলায় বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে এবং বিকেল ৫টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত জারি থাকবে করোনা কার্ফু। সোমবার নতুন নির্দেশিকা প্রকাশ করে একথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেশব মহন্ত।


আগামী ৭ দিন আগের মতোই বন্ধ থাকবে আন্তঃজেলা যাতায়াত। মঙ্গলবার ভোর ৫টা থেকে এই নতুন নির্দেশিকা কার্যকর হয়েছে। এদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, গত ৩ সপ্তাহ ধরে মরিগাঁও, গোয়ালপাড়া, বিশ্বনাথ, বোকাখাত , শোনিতপুর, গোলাঘাট, যোরহাট এবং লখিমপুর জেলাকে সম্পূর্ণ কনটেনমেন্ট জোন হিসেবে রাখা হয়েছিল। গত কিছু দিনে ২ জেলায় সংক্রমণ কিছুটা কমলেও বাকি জেলায় কমেনি। তাই ২ জেলায় কার্ফুর ক্ষেত্রে কিছুটা শিথিলতা দেওয়া হলেও বাকি ৫ জেলাকে আরও ৭ দিনের জন্য কনটেনমেন্ট হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, বিমানবন্দর ও রেলস্টেশনে উত্তর – পূর্বের যাত্রীদের জন্য করোনা টেস্টের ক্ষেত্রে শিথিলতা জারি করা হয়েছিল। এবং যাদের দু’টি ভ্যাকসিন দেওয়া আছে তাঁদের টেস্ট করার প্রয়োজন নেই বলে রাজ্য সরকার ঘোষণা করেছিল। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে অসমের পাশের রাজ্যগুলিতে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই এখন থেকে উত্তর – পূর্বের যে কোন রাজ্য থেকে আসা যাত্রীদেরও বিমানবন্দর ও রেলস্টেশনে করোনা টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হল। স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহন্ত আরও বলেন , করোনা সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসার পর দেখা যাচ্ছে , বিয়ে অথবা অন্য ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এবং শেষকৃত্যেও করোনা বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করা হচ্ছে। সরকারের জারি করা নির্দেশের বাইরেও অসংখ্য মানুষের সমাগম হচ্ছে। এইজন্য সরকারের তরফ থেকে প্রত্যেক জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বিয়ে হোক বা যেকোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান অথবা শ্মশানেও ১০ জনের বেশি মানুষ উপস্থিত থাকতে পারবেন না।