বৃহস্পতিবার, ৫ই আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

NewsFile Institute
Home / Big Picture Stories  / সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা এবং জনপ্রতিনিধিদের উগ্র তাণ্ডব চলবে না, ফরমান আদালতের

সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা এবং জনপ্রতিনিধিদের উগ্র তাণ্ডব চলবে না, ফরমান আদালতের

মিঠুলাল চৌধুরী সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা নিয়ে কড়া অবস্থান সর্বোচ্চ আদালতের। কোনও ভাবেই সরকারি সম্পত্তি নষ্টকারীদের রেয়াত করা হবে না। একই সঙ্গে বিধানসভা কিংবা সংসদে জনপ্রতিনিধিদের উগ্র তাণ্ডব কখনও গ্রহনযোগ্য নয়, সাফ জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট।প্রতিবাদের

মিঠুলাল চৌধুরী

সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা নিয়ে কড়া অবস্থান সর্বোচ্চ আদালতের। কোনও ভাবেই সরকারি সম্পত্তি নষ্টকারীদের রেয়াত করা হবে না। একই সঙ্গে বিধানসভা কিংবা সংসদে জনপ্রতিনিধিদের উগ্র তাণ্ডব কখনও গ্রহনযোগ্য নয়, সাফ জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট।প্রতিবাদের অধিকার থাকলেও তার জন্য সেখানে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট অথবা ভাঙচুর করা অমার্জনীয় অপরাধ। ২০১৫ সনে কেরল বিধানসভায় অনুষ্ঠিত হওয়া তাণ্ডবের জেরে দায়ের হওয়া মামলায় সর্বোচ্চ আদালতের এই কড়া পর্যবেক্ষণে অস্বস্তিতে পড়ল সিপিএম। কারণ পশ্চিমবঙ্গে বাম জমানায় বিরোধী নেত্রী মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে বিধানসভায় ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ অনেক বার তাদের মুখে শোনা গিয়েছে। কিন্ত এক্ষেত্রে কেরলে কাঠগড়ায় সিপিএমের ৬ বিধায়ক।


অভিযোগ, ২০১৫ সনে কেরল বিধানসভায় অর্থ বিল পেশের সময়ে তার বিরোধীতায় কার্যত তাণ্ডব চালান সিপিএমের তৎকালীন ৬ বিধায়ক। কেরলে বাম দলটি তখন বিরোধী আসনে। ক্ষমতায় পালাবদলের পর ওই ৬ বিধায়কের নামে ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার করে নিতে সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে কেরল সরকার। সেই মামলার রায় সুপ্রিম কোর্ট দেয়নি। পরবর্তী শুনানি পরের সপ্তাহের জন্য মুলতুবি রেখেছে। কিন্ত এদিন ওই মামলার শুনানি চলাকালীন বিষয়টি নিয়ে নিজেদের কড়া অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় এবং এম আর শাহের বেঞ্চ। কেরল সরকারের আইনজীবী রঞ্জিত কুমারকে বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেছেন, প্রাথমিকভাবে এই বিষয়ে আমরা কড়া। একজন বিধায়কের এই ধরণের ব্যবহার গ্রহনযোগ্য নয়। বিশেষত তার বিরুদ্ধে সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে। আইনজীবী কুমারের বক্তব্য ছিল, বিধানসভার মধ্যে সৃষ্ট ঘটনার জন্য এমন ফৌজদারি মামলা দায়ের হওয়া উচিত নয়। তা ছাড়া এর শাস্তি হিসেবে ওই ৬ বিধায়ক তখন সাসপেন্ডও হয়েছিলেন। কিন্তু তা শুনে বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেন, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করার খেসারত হিসেবেই এই মামলায় তাদের মুখোমুখি হতে হবে।