রবিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

NewsFile Institute
Home / Big Picture Stories  / হাইলাকান্দিতে অসম-মিজোরাম সীমান্তে মিজো আগ্রাসন অব্যাহত

হাইলাকান্দিতে অসম-মিজোরাম সীমান্তে মিজো আগ্রাসন অব্যাহত

বিধায়ক, সুজাম উদ্দিন লস্কর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং মিজোরামের সাথে দীর্ঘকাল ধরে চলা সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করতে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

শতানন্দ ভট্টাচার্য
হাইলাকান্দি, জুন ৪
,

দক্ষিণ অসমের হাইলাকান্দি জেলার অসম- মিজোরাম সীমান্তে আবারো উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।সীমান্তে অসমের চার কিলোমিটার ভেতরে প্রবেশ করে গুটগুটিতে মিজো বাসিন্দারা বিভিন্ন ধরনের নির্মাণের কাজ শুরু করেছে। এ নিয়ে সীমান্তে তীব্র উত্তেজনা ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। হাইলাকান্দির জেলাশাসক রোহন কুমার ঝা এবং পুলিশ সুপার রমণদীপ কৌর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং স্থানীয়দের নিয়ে এক সভা করেছেন। এলাকায় নিরাপত্তা রক্ষী মোতায়েন করা হয়েছে।

জানা গেছে যে মিজোরামের বাসিন্দারা অসমের জমির চার কিলোমিটার ভেতরে কিছু নির্মাণ শুরু করেছেন। এনিয়ে অসমের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় কাটলিছড়ার বিধায়ক, সুজাম উদ্দিন লস্কর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং মিজোরামের সাথে দীর্ঘকাল ধরে চলা সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করতে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন যে অসমের প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি এবং তারা বিতর্কিত অঞ্চল থেকে দুই কিলোমিটার দূরেই বৈঠক করেছেন। লস্কর বলেন যে উভয় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে সীমান্ত বিরোধের সমাধান হতে পারে। তিনি বলেন, মিজো দুর্বৃত্তদের অনুরূপ আগ্রাসন কচুরথল এলাকায়ও চলছে। তাই এই সীমা বিরোধের সমাধান হওয়াটা খুবই জরুরি। বিধায়ক অভিযোগ করেন যে অসমের জমি আগ্রাসনে মিজো দুষ্কৃতকারীদের সাথে সহযোগিতা করছে সে রাজ্যের ছাত্র সংগঠন ইয়ং মিজো এ্যাসোসিয়েশন।

উল্লেখ্য, দক্ষিণ অসমের বরাক উপত্যকার কাছাড়, করিমগঞ্জ ও হাইলাকান্দি – এই তিনটি জেলা মিজোরামের আইজল, কলাসিব এবং মমিত জেলার সঙ্গে ১৬৪.৬ কিলোমিটার সীমানা ভাগ করে নিয়েছে। বেশ কয়েক দফা আলোচনা সত্ত্বেও অসম-মিজোরাম সীমান্ত বিবাদ এখনো অমীমাংসিত থেকেই গেছে।