শনিবার, ২৪শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

NewsFile Institute
Home / Big Picture Stories  / মিউকর মাইকোসিসের প্রথম সংক্রমণ শিলচরে, সংক্রমণের কথা স্বীকার অধ্যক্ষের

মিউকর মাইকোসিসের প্রথম সংক্রমণ শিলচরে, সংক্রমণের কথা স্বীকার অধ্যক্ষের

পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড পরীক্ষা করে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের লক্ষণ দেখা গেছে এবং প্রাথমিকভাবে এটাই বুঝা যাচ্ছে বলে বেজবরুয়া জানান।

শতানন্দ ভট্টাচার্য
শিলচর, মে ৩০,

এরআগে গতকাল রাতে একপ্রস্ত নাটক হয় এনিয়ে।প্রশাসনের তরফ থেকেই বলা হয়, বিভ্রান্তি ছড়াবেন না, সঠিক তথ্য দেবেন। কিন্তু ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা মিউকর মাইকোসিস নিয়ে যখন গোটা দেশ শঙ্কিত ঠিক তখনই রাষ্ট্রিয় স্বাস্থ্য অভিযান এবং কাছাড় জেলা প্রশাসনের এই সংক্রমণ নিয়ে পরস্পর বিরোধী মন্তব্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল রাতে রাষ্ট্রিয় স্বাস্থ্য অভিযানের কাছাড় জেলার মিডিয়া এক্সপার্ট সুমন চৌধুরী এক ভিডিও ম্যাসাজ করে সংবাদ মাধ্যমে জানান যে শিলচর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অলোক দেব নামের ৪২ বছরের একজন রোগীর ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণ ধরা পড়েছে এবং তিনি চক্ষু বিভাগে চিকিৎসাধীন আছেন। জানা গেছে অলোক দেব করিমগঞ্জের বাসিন্ধা। চৌধুরীর দেওয়া তথ্য মতে ওই রোগী করোনা পরবর্তী শারীরিক সমস্যা নিয়ে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং গতকাল তাঁর শরীরে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে এবং হাসপাতালের চক্ষু বিভাগে ভর্তি আছেন।

দক্ষিণ অসমের শিলচরে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা মিউকর মাইকোসিসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়লো।
আজ এক সংবাদিক সম্মেলন করে কাছাড়ের জেলাশাসক কীর্তি জল্লি, শিলচরের সাংসদ রাজদীপ রায় এবং শিলচর মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ বাবুল বেজবরুরা জানান যে একজন ব্যক্তির মিউকর মাইকোসিস সংক্রান্ত সব ধরনের লক্ষণ ধরা পড়েছে তবে চিকিৎসা শুরু হয়েছে এবং রোগীকে আইসল্যাসনে রাখা হয়েছে। বেজবরুরা জানান যে এই মানুষটি গত পাঁচ তারিখ করোনা আক্রান্ত হন। এরপর এগারো তারিখ নেগেটিভ হওয়ার পর কিছু শারীরিক সমস্যা নিয়ে আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর চোঁখ ফুলে যাওয়ায় পরীক্ষা করার পর সংক্রমণ নিশ্চিত করা হয়। পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড পরীক্ষা করে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের লক্ষণ দেখা গেছে এবং প্রাথমিকভাবে এটাই বুঝা যাচ্ছে বলে বেজবরুয়া জানান।
তবে তিনি জানান যে কালচার ও বায়োপসি রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।

এরপরই সামাজিক মাধ্যমে এনিয়ে ঝড় উঠে। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সবাই। কিছু পোর্টালে এনিয়ে সংবাদও পরিবেশন করা হয়।কিছুক্ষন পর জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে সরকারিভাবে জানানো হয় যে গুজবে কান না দেবার জন্যে।কিন্তু শেষপর্যন্ত প্রশাসনের তরফ থেকে স্বীকার করা হয় যে সংক্রমণের লক্ষণ দেখে মনে প্রাথমিকভাবে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস হিসেবেই মনে হচ্ছে ।