শনিবার, ২৪শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

NewsFile Institute
Home / Big Picture Stories  / ভার্চুয়াল একাদশ শহিদ স্মরণ

ভার্চুয়াল একাদশ শহিদ স্মরণ

১৯৬১ ইংরেজির বাংলা মাতৃভাষা রক্ষার জন্য যাঁরা শহিদ হয়েছিলেন তাঁরা হলেন বীরেন্দ্র সূত্রধর, চন্ডীচরণ সূত্রধর, হীতেশ বিশ্বাস, শচীন্দ্রচন্দ্র পাল, সতেন্দ্রদেব, কানাই লাল নিয়োগী, কুমুদরঞ্জন দাস, কমলা ভট্টাচার্য, তরণী দেবনাথ, সুকোমলপুরকায়স্থ ও সুনীল সরকার।

আশুতোষ দাস

ভার্চুয়াল প্রোগ্রামের মাঝেই আজ ১৯ শে মে বরাক উপত্যকায় শহিদদের স্মরণ করছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংস্থা। আবার কোন কোন জায়গায় শহিদ স্মারক স্থলে খুব সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে, ছোট পরিসরে কোভিড প্রটোকল মেনে শহিদ দিবস পালিত হচ্ছে। শুধু মাত্র মাল্যদান, প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও পুস্প অর্পণের মাঝেেই সীমিত থাকছে অনুষ্ঠান।

উল্লেখ্য, ১৯৬১ইংরেজির ১৯ শে মাতৃভাষা বাংলা ভাষার অধিকার রক্ষার দাবিতে শিলচর রেল স্টেশনে পুলিশের গুলিতে মারা যান দশজন যুবক ও একজন যুবতী। সেই গণআন্দোলনের ব্যাপক প্রভাব পড়ে পরবর্তী সময়ে বরাক উপত্যকার সাহিত্য, শিল্প সংস্কৃতি ও সমাজ জীবনে।দক্ষিণ অসমের বরাক উপত্যকার মানুষের গণদাবি ১৯৬১, ইংরেজির ১৯ মে র একাদশ শহিদ স্মৃতি বিজড়িত রেল স্টেশনটির নামকরণ সরকারিভাবে “ভাষা শহিদ স্টেশন শিলচর” নামে করার। তারা মনে করেন যে এই স্বীকৃতি আদায়ের মানে তাদের মাতৃভাষার জন্যে আন্দোলনকারী শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো ও মাতৃভাষা বাংলার প্রতি সম্মান জানানো ।

১৯৬১ ইংরেজির বাংলা মাতৃভাষা রক্ষার জন্য যাঁরা শহিদ হয়েছিলেন তাঁরা হলেন বীরেন্দ্র সূত্রধর, চন্ডীচরণ সূত্রধর, হীতেশ বিশ্বাস, শচীন্দ্রচন্দ্র পাল, সতেন্দ্রদেব, কানাই লাল নিয়োগী, কুমুদরঞ্জন দাস, কমলা ভট্টাচার্য, তরণী দেবনাথ, সুকোমলপুরকায়স্থ ও সুনীল সরকার।