শনিবার, ৩১শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

NewsFile Institute
Home / Big Picture Stories  / পশ্চিমবঙ্গের ঘটনার প্রতিবাদে অসমের প্রতিটি জেলা এবং ব্লক থেকে রাষ্ট্রপতির উদ্দেশে স্মারকপত্র বিজেপির

পশ্চিমবঙ্গের ঘটনার প্রতিবাদে অসমের প্রতিটি জেলা এবং ব্লক থেকে রাষ্ট্রপতির উদ্দেশে স্মারকপত্র বিজেপির

বিজেপি নেতাদের অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এসব দলবদ্ধ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কঠোর হাতে দমন করতে ব্যর্থ। বহু স্থানে পুলিশ মামলাগুলো নথিভুক্ত করতে অনিহা প্রকাশ করছে। তৃণমূল কংগ্রেসের গুন্ডাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য তারা আবেদন জানান।

অরুপ রায়
করিমগঞ্জ, মে ৫,

প্রতিবাদের ঝড় আচড়ে পড়েছে বিজেপি শাসিত রাজ্য অসমের করিমগঞ্জ জেলায়ও। মঙ্গলবার গেরুয়া ব্রিগেডের করিমগঞ্জ জেলা কমিটি পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূলি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে দেশের রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। জেলা সভাপতি সুব্রত ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল দুপুরে করিমগঞ্জের জেলাশাসক আনবামুথান এম পির মাধ্যমে ভারতের রাষ্ট্রপতির উদ্দেশে পাঠানো এক স্মারকপত্রে তারা উল্লেখ করেন, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার বহু আসনে বিজেপি পরাস্থ হয়েছে। কিন্তু ভোটের ফলাফল ঘোষণার পরই তৃণমূলের কর্মীরা বিজেপি কর্মকর্তাদের উপর হামলা শুরু করে। দিন দুপুরে বাড়ি ঘর ভাঙ্গচুর, লুটপাট এবং রক্তারক্তির ঘটনা ঘটছে। পুলিশ নিরব দর্শক বলে বিজেপি নেতারা অভিযোগ করে বলেন, গত ৪৮ ঘন্টায় প্রায় দুই ডজন বিজেপি সদস্যের প্রাণহানি ঘটেছে। এমনকি বহু মহিলা এবং বিজেপি কর্মকর্তা বর্তমানে অন্যত্র আশ্রয় গ্রহণ করেছেন।

বিজেপি নেতাদের অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এসব দলবদ্ধ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কঠোর হাতে দমন করতে ব্যর্থ। বহু স্থানে পুলিশ মামলাগুলো নথিভুক্ত করতে অনিহা প্রকাশ করছে। তৃণমূল কংগ্রেসের গুন্ডাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য তারা আবেদন জানান।

 পরে জেলাশাসকের কার্যালয়ের সামনে সংবাদ মাধ্যমের কাছে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বিজেপি নেতারা জানান, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে বর্তমানে সবচেয়ে বড় কলঙ্কজনক ঘটনা ঘটছে। এসব বর্বর হামলা অচিরে বন্ধ হওয়া উচিত। একটি স্বাধীন দেশে ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকা কি অপরাধ। পশ্চিমবঙ্গে ঘটনা সমুহ দেখে মনে হচ্ছে এই রাজ্য নতুন করে স্বাধীনতা লাভ করেছে। প্রাণের ভয়ে মানুষ অন্যত্র আশ্রয় গ্রহণ করছেন। এসব অগনতান্ত্রিক এবং ন্যক্কারজনক ঘটনা বন্ধ করার জোরালো আওয়াজ তুলেন তারা। বিজেপির জেলা সভাপতি সুব্রত ভট্টাচার্য ছাড়াও ডা মানস দাস, অমরেশ রায়, কিশোর দে, সঞ্জীব নন্দী, সুদীপ চক্রবর্তী, নিশিকান্ত ভট্টাচার্য, প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।