শনিবার, ২৪শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

NewsFile Institute
Home / Big Picture Stories  / চতুর্থ দফায় রক্তাক্ত বাংলা , হত ৫

চতুর্থ দফায় রক্তাক্ত বাংলা , হত ৫

শনিবার চতুর্থ দফায় ৫ জেলার মোট ৪৪ কেন্দ্রে ভোট ছিল।

মিঠুলাল চৌধুরী

বঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের চতুর্থ দফায় শনিবার কোচবিহারের শীতলকুচির মাথাভাঙা ব্লকের জোড়াপাটকির ১২৬ নম্বর ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের বাইরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে নিহত হন ৪ জন। এবং এই শীতলকুচিতেই ভোটের লাইনে গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রান হারান আরো ১ যুবক। এই ঘটনাকে ঘিরে এখন তোলপাড় রাজ্য ও রাষ্ট্রিয় রাজনীতি। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে শনিবার চতুর্থ দফায় ৫ জেলার মোট ৪৪ কেন্দ্রে ভোট ছিল। গনতন্ত্রের এই উৎসবে আগের ৩ দফার মতোই এ দিনও বিক্ষিপ্ত হিংসা, ইটপাটকেল ও বোমাবাজি এবং প্রার্থীদের উপর হামলা ও গাড়ি ভাঙ্গচুর ইত্যাদি সবকিছুই ঘটেছে। তবে সব ঘটনাকে ছাপিয়ে গিয়েছে কোচবিহারের শীতলকুচির ঘটনা।
প্রসঙ্গত , দু – দলের মধ্যে সংঘর্ষের জন্য ভোটদান ব্যাহত হচ্ছে এরকম খবর পেয়ে ছুটে যায় সিআইএসএফের কুইক রেসপন্স টিম। গন্ডগোল থামাতে গেলে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে ধরে গ্রামের শতাধিক মানুষ। বাহিনীর রাইফেলও কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়। শেষপর্যন্ত আত্মরক্ষার্থেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে গুলি চালাতে হয় বলে দাবি পুলিশ কর্তাদের।
শীতলকুচি কান্ডের পর কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন এক নির্দেশে জানিয়েছে , আগামী ৩ দিন কোনও রাজনৈতিক দলের নেতা কোচবিহার জেলায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
উল্লেখ্য, শীতলকুচি গিয়ে গুলিতে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জির কিন্তু কমিশনের সর্বশেষ নির্দেশে তিনি কোচবিহার যেতে পারছেন না। গুলিকান্ডের পর এখন থমথমে শীতলকুচি ।