বৃহস্পতিবার, ৫ই আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

NewsFile Institute
Home / Big Picture Stories  / বি এস এফের গুলিতে নিহত গরুচোরের মৃতদেহ সমঝে নিল বাংলাদেশ

বি এস এফের গুলিতে নিহত গরুচোরের মৃতদেহ সমঝে নিল বাংলাদেশ

অরুপ রায়

অরুপ রায়,
করিমগঞ্জ, মার্চ ২৩,

বি এস এফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশী গরুচোরের মৃতদেহ অবশেষে সমঝে নিল বাংলাদেশ। শুক্রবার ভোরে বিএসএফের গুলিতে নিহত হয় বাংলাদেশী কুখ্যাত গরু চোর বাপ্পা মিয়া, ৩৫।প্রথমে বিজিবি মৃতদেহ নিতে অনীহা প্রকাশ করে এই অজুহাত দেখিয়ে যে বাপ্পা মিয়া নাকি তাদের দেশের লোক নয় । কিন্তু মৃতের পরিবারের চাপে নতজানু হতে হয় বাংলাদেশের সিমান্ত বাহিনীকে৷ ঘটনার তিন দিন পর ভারতের ভাগ্যপুর সিমান্ত দিয়ে ফ্ল্যাগ মিটিং এর মাধ্যমে বাপ্পার দেহ তুলে দেওয়া হয় পিতা আব্দুল রুপের হাতে।সোমবার দুপুরে মৃতের আত্মীয়রা জুড়ি বিজিবি ক্যাম্প ঘেরাও করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে মৃতদেহ ভারত থেকে নেওয়ার জন্য। দুই সিমান্ত এলাকার সাংবাদিকরাও বিশেষ ভুমিকা গ্রহণ করেছিলেন এই ইস্যুতে। অবশেষে সোমবার বিকেল চারটে নাগাদ কদমতলার হাসপাতালের শবঘর থেকে দেহ বিএসএফের গাড়ি করে নিয়ে যাওয়া হয় ভাগ্যপুর সিমান্তে। বিএসএফ ১৬৬ নং ব্যাটেলিয়ানের কামান্ডার সুরেন্দ্র কুমার ও কদমতলা থানার ওসি কৃষ্ণধন সরকারের উপস্থিতিতে মৃতদেহ তুলে দেওয়া হয় পিতার হাতে। বিজিবির আধিকারিকসহ বাংলাদেশের জুড়ি থানার ওসি সঞ্জয় চক্রবর্তীর উপস্থিতিতে মৃতদেহ হস্তান্তর হয়। জুড়ি উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান কিশোর রায় চৌধুরী মণি সহ জুড়ি প্রেস ক্লাবের সভাপতি সমেত জুড়ি উপজেলার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। ভারতের পুলিশ ও বিএসএফের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ। জুড়ি থানার ওসি সঞ্জয় চক্রবর্তী ত্রিপুরা পুলিশ ও বিএসএফের আন্তরিকতার জন্য ধন্যবাদ জানান। মৃতের পিতা থানার ওসিকে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। শনিবার থেকেই উত্তেজনা বিরাজ করছিল বকবকি সিমান্ত এলাকায়। কাঁটাতারের বেড়া কেটে গরু পাচারের সময় শুক্রবার ভোরে বিএসএফের গুলিতে নিহত পাচারকারী বাপ্পা মিয়া । এর পর থেকেই কদমতলা থানার ওসি বিভিন্ন ভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কাঁটাতারের বেড়া কেটে বাংলাদেশী গরু পাচারকারীরা গরু নিয়ে যায়। বিএসএফের তরফে বারবার অভিযোগ করা হলেও বিজিবি তাতে কর্ণপাত করেনি। সত্যতা প্রমাণিত হতেই শুরু হয় ঝামেলা, অবশেষে দেহ সমঝে নিতে বাধ্য হয় প্রতিবেশী রাষ্ট্র।