বৃহস্পতিবার, ৫ই আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

NewsFile Institute
Home / Big Picture Stories  / করিমগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী জনসভার জন্য জমির মালিকদের কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া হয় নি : নির্বাচন কমিশনকে নালিশ

করিমগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী জনসভার জন্য জমির মালিকদের কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া হয় নি : নির্বাচন কমিশনকে নালিশ

দিকে জমির অনুমতি ছাড়া প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভা প্রসঙ্গ নিয়ে জেলা বিজেপির সভাপতির কাছে জানতে চাইলে ফোনে তাকে পাওয়া যায়নি । তবে জেলা মুখপাত্র নিশিকান্ত ভট্টাচার্য বলেন এধরনের অভিযোগের কথা তাদের জানা নেই । একই

অরুপ রায়, করিমগঞ্জ, মার্চ ১৫,


দক্ষিণ অসমের করিমগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্বাচনী জনসভা নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। যে জায়গায় জনসভার আয়োজন করা হয়েছে সেখানকার ১৩ জন মালিক নির্বাচন কমিশনকে লিখিত অভিযোগ করেছেন যে তাদের অনুমতি না নিয়েই সভাস্থল, হেলিপ্যাড, রাস্তা তৈরির কাজ শুরু করে দিয়েছেন বিজেপির নেতারা । তাদের অভিযোগ কৃষি প্রধান জমিতে রাস্তা, হেলিপ্যাড, মঞ্চ ও ভিভিআইপি দের বসার কক্ষ তৈত্রি করার ফলে জমির ব্যাপক ক্ষতি হবে। এর ফলে কৃষি ভুমির ব্যাপক ক্ষতি হবে বলে দাবি করে নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

এদিকে ভুমির মালিকদের অভিযোগ পেয়ে জেলা শাসক মালিকদের নির্দেশ দিয়েছেন সোমবার নিজ নিজ ভুমির দলিল নিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে । তবে অভিযোগকারী ১৩ জনের মধ্যে তিন জন সংবাদ মাধ্যমকে জানান যে তারা এনওসি দিয়েছেন তবে তাদের জানা ছিলনা হেলিপ্যাড তৈরি করতে কৃষি ভূমিতে রোলার চালিয়ে পাথর দিয়ে ভরাট করা হবে এমন জানলে তারা আগেই বারণ করতেন । তাদের অভিযোগ এভাবে পাথর বা রোলার  চাপা দিলে এই কৃষি ভূমিতে আর ফসল হবে না ফলে তাদের বিশাল ক্ষতিপূরণ কে দেবে।তবে বাদ বাকি স্বাক্ষর করা ১০ জনের দাবি তাদের জমিতে জনসভা হবে অথচ তাদের নিকট অনুমতি দুরের কথা সৌজন্যমূলক কথা পর্যন্ত কেউ জানাননি ।

এদিকে জমির অনুমতি ছাড়া প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভা প্রসঙ্গ নিয়ে জেলা বিজেপির সভাপতির কাছে জানতে চাইলে ফোনে তাকে পাওয়া যায়নি । তবে জেলা মুখপাত্র নিশিকান্ত ভট্টাচার্য বলেন এধরনের অভিযোগের কথা তাদের জানা নেই । একই সঙ্গে এও জানান জমির বিষয় জেলা প্রশাসনের তাই এই প্রসঙ্গে নিয়ে কিছু বলতে পারবেন না ।

তবে করিমগঞ্জের মোদিপ্রেমী নাগরিকদের দের অভিযোগ এর আগে দুবার মোদির জনসভা করিমগঞ্জ জেলায় হবে বলে আশায় ছিলেন কিন্তু শিলচরের একটি শক্ত লবি করিমগঞ্জে অনুষ্টান করতে দেয়নি । তারা প্রশ্ন করেন, ২০১৪ সালে রামনগরে জমি নিয়ে কৃষকদের অভিযোগ ছিলো তাই সে অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেননি কেন বিজেপির কর্মকর্তারা ।

অন্যদিকে কিছু নাগরিকরা অভিযোগ করেন করিমগঞ্জের অনুষ্টান বানচাল করার চক্রান্ত চলছে । কারণ বিগত দিনে করিমগঞ্জ কে বঞ্চিত করার ক্ষোভ এখনো অনেকের মনে আছে । সাংসদ রাজদীপ রায়রা যদি করিমগঞ্জ থেকে জনসভা শিলচরে নেওয়ার কোন চক্রান্ত করেন তাহলে এর ফল ভুগতে হবে বলে হুমকি দেন তাঁরা ।