শনিবার, ২৪শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

NewsFile Institute
Home / Big Picture Stories  / আসছে ৫জি , আধুনিক প্রযুক্তির নবতম সংযোজন

আসছে ৫জি , আধুনিক প্রযুক্তির নবতম সংযোজন

মোবাইল নেটওয়ার্ক-এর পঞ্চম প্রজন্ম ফাইভ-জি । ফাইভজি-র সঙ্গে আসছে কিছু আমূল পরিবর্তন। টু-জি থেকে শুরু করে ডিজিটাল নেটওয়ার্ক-এর সূচনা, এখন আস্তে আস্তে আধুনিক থেকে আধুনিক হয়ে ফোর -জি থেকে আমরা ফাইভ-জি তে পা রাখতে চলেছি।

অনুরণ ভট্টাচার্য

মোবাইল নেটওয়ার্ক-এর পঞ্চম প্রজন্ম ফাইভ-জি । ফাইভজি-র সঙ্গে আসছে কিছু আমূল পরিবর্তন। টু-জি থেকে শুরু করে ডিজিটাল নেটওয়ার্ক-এর সূচনা, এখন আস্তে আস্তে আধুনিক থেকে আধুনিক হয়ে ফোর -জি থেকে আমরা ফাইভ-জি তে পা রাখতে চলেছি। অনেক দেশের সঙ্গে বর্তমানে ভারতও ফাইভজি পরিষেবা গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পথে পায়ে পা মিলিয়ে হাঁটতে চলেছে। পাঁচটি নেটওয়ার্কের রূপরেখা অঙ্কনের জন্য ‘ফাইভ-জি ইন্ডিয়া ফোরাম’ তৈরি করেছে সেলুলার অপারেটর এসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া। এই ফাইভজি পরিষেবার স্পিডে যেকোনো এইচ ডি ভিডিও তিন সেকেন্ডের মধ্যে ডাউনলোড করা যাবে। একই সময়ে একসঙ্গে বহু ডিভাইসে এটাকে যুক্ত করাও সম্ভব।চালকবিহীন গাড়ি চালানো কিংবা বাড়ির বাইরে থেকে ভেতরের বৈদ্যুতিক পণ্য নিয়ন্ত্রণ করা যাবে এই পরিষেবাতে। তাছাড়া বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে ফাইভজি পরিষেবাতে দূর থেকেই চিকিৎসকরা পরিষেবা পৌঁছে দিতে পারবেন রোগীদের কাছে। ফোর জির তুলনায় শতগুণ বেশি এই ফাইভ জি প্রযুক্তি, আপনার ফোন ও টাওয়ারের মধ্যে সিগন্যালের স্পিড এবং মাল্টি জিবিপিএস গতির সরবরাহ করতে সক্ষম। বিশেষজ্ঞদের মতে ফাইভ-জিপরিষেবার ইন্টারনেট স্পিড হবে খুব দুরন্ত । ফাইভ-জি দিয়ে খুব সহজে অনেক বড় বড় ফাইল পাঠানো যাবে। ফাইভজি টেকনোলজির প্রত্যেকটি জি-১-১ টি গুণের নির্দেশক।

১/মিলিমিটারি ওয়েবে প্রচুর পরিমাণে ডেটা অর্জন করে যা দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে ১জিবি গতিতে ডেটা স্থানান্তর করা সম্ভব। যখন আমরা একসাথে অনেকেই ইন্টারনেট ব্যবহার করি তখন অনেক সময় দেখা যায় যে সিগন্যাল এর প্রবলেম হয় তাই বিশেষজ্ঞরা চেষ্টা করছেন এই ফাইভ-জি তে তরঙ্গের দৈর্ঘ্য আরো বাড়ানোর। ফাইভজি তে পরীক্ষামুলকভাবে মিলিমিটার তরঙ্গ ৩০-৩০০ গিগাহার্টজ কম্পাঙ্কের।


২/ফাইভ-জি পপ্রযুক্তিতে যেখানে মিলিমিটার ওয়েবের সমস্যা দেখা যায় সেখান থেকেই শুরু হয় স্পিড সেলের কাজ । যেহেতু এম এম তরঙ্গ বাধাগুলিতে কাজ করতে পারে না, তাই মূল সেল টাওয়ার থেকে সিগন্যাল রিলে করার জন্য পুরো অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে মিনি সেল টাওয়ার স্থাপন করা হবে, যেগুলোর দূরত্ব কম হওয়ার জন্য যদি কোন একটি টাওয়ারে সিগন্যাল পেতে সমস্যা হয় তাহলে সঙ্গে সঙ্গে অন্য টাওয়ার থেকে সিগনাল চলে আসবে ।

৩/ফাইভ-জি প্রযুক্তির পরবর্তী ভিত্তি হলো সর্বাধিক এম এম ও, অর্থাৎ মাল্টিপল ইনপুট এবং মাল্টিপল আউটপুট প্রযুক্তি। নেটওয়ার্ক ট্রাফিকের সমস্যাকে দূর করার জন্য ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক সরবরাহের একটি নিয়মিত সেল টাওয়ারে বারোটি অ্যান্টেনা আসে যা সেই অঞ্চলের সেলুলার ট্রাফিক পরিচালনা করে।

৪/বিফর্মিং এমন একটা প্রযুক্তি যা নিয়মিতভাবে একাধিক সোর্সকে দেখাশুনা করতে পারে এবং কোন একটি টাওয়ারের উচ্চতম স্পিড এর ঘাটতি হলে তখন অন্য টাওয়ার থেকে পাওয়ার নেটওয়ার্ককে আরো শক্তিশালী করে তুলতে সাহায্য করে।

৫/ফুল ডুপ্লেক্স এমন একটি প্রযুক্তি যা ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড, একই সাথে ডেটা আদান প্রদানে সাহায্য করে।এই প্রযুক্তি ল্যান্ডলাইন টেলিফোন এবং রেডিও স্টেশন গুলোতেও ব্যবহার করা হয়। এটি দ্বিমুখী রাস্তার উভয়ই দিক থেকে একই ট্র্যাফিক প্রেরণ করে।