শনিবার, ২৪শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

NewsFile Institute
Home / Big Picture Stories  / অর্থনৈতিক অবরোধ প্রত্যাহার দক্ষিণ হাইলাকান্দিতে

অর্থনৈতিক অবরোধ প্রত্যাহার দক্ষিণ হাইলাকান্দিতে

শঙ্করী চৌধুরী, দক্ষিণ অসমের হাইলাকান্দি জেলার অসম-মিজোরাম সীমান্তের ঘাড়মুড়ার ১৫৪ নং জাতীয় সড়কে অসম জাতীয়তাবাদী যুব ছাত্র পরিষদ (এজেওয়াইসিপি), অল অসম ছাত্র ইউনিয়ন (এএএসইউ),কৃষক মুক্তি সংগ্রাম সমিতি (কেএমএস) সহ বেশ কয়েকটি সংগঠন অর্থনৈতিক অবরোধ করে।পরে প্রশাসনের

শঙ্করী চৌধুরী,

দক্ষিণ অসমের হাইলাকান্দি জেলার অসম-মিজোরাম সীমান্তের ঘাড়মুড়ার ১৫৪ নং জাতীয় সড়কে অসম জাতীয়তাবাদী যুব ছাত্র পরিষদ (এজেওয়াইসিপি), অল অসম ছাত্র ইউনিয়ন (এএএসইউ),কৃষক মুক্তি সংগ্রাম সমিতি (কেএমএস) সহ বেশ কয়েকটি সংগঠন অর্থনৈতিক অবরোধ করে।পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের আশ্বাস দেওয়া হলে আজ অর্থনৈতিক অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়। অসম-মিজোরাম সীমান্তের কচুরথল এলাকায় অসমের বাসিন্দাদের ঘর-বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে অবরোধ করা হয়। শীর্ষ পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা সীমান্তবর্তী এলাকায় শিবির স্থাপন করে অবস্থান করছেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছ। তবে মিজোরাম পুলিশ, হাইলাকান্দি জেলা প্রশাসনের চক্র আধিকারীকদের বিতর্কিত এলাকা পরিদর্শন বন্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অসম-মিজোরাম সীমান্তের হাইলাকান্দি জেলার রামনাথপুর থানার অন্তর্গত কচুরথল, ঝালনাছড়া, গল্লাছড়া প্রভৃতি অঞ্চলে এদিনের ঘটনার পরে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন,পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করা হয়েছে। পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে নাগরিকরা ও পুলিশ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেখানে শিবির করেছেন। এলাকায় টানটান উত্তেজনা বিরাজ করলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যেসব গ্রামবাসীদের বাড়ি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে তাদের জন্য এলাকায় একটি অস্থায়ী আশ্রয় শিবির তৈরি করা হয়েছে। জানা গেছে, হাইলাকান্দি ও মিজোরামের কলাশিব জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা সীমান্ত সমস্যা নিয়ে এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে সম্মত হয়েছেন।
এদিকে রাইজর দলের হাইলাকান্দি জেলা সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন লস্কর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থদের তাৎক্ষণিক ত্রাণ দেওয়ার দাবি জানান। তিনি জানান, দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে রামনাথপুর থানায় একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

এছাড়া বুধবার কাটলিছড়ার বিধায়ক সুজাম উদ্দিন লস্কর, প্রতিবেশী রাজ্যের সশস্ত্র আগ্রাসনের থেকে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বসবাসরত মানুষের মধ্যে সুরক্ষা বাড়াতে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য অসমের মুখ্যমন্ত্রী এবং অসম পুলিশের সঞ্চালক প্রধানকে এক স্মারকপত্র প্রদান করেন। এতে তিনি উল্লেখ করেন যে, মঙ্গলবার প্রতিবেশী রাজ্যের দুর্বৃত্তের আক্রমণে প্রায় ৩০ জন গ্রামবাসী গুরুতর আহত হয়েছেন এবং প্রায় ৫০টি বাড়ি পুড়ে গেছে।

উল্লেখনীয় যে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি মিজো দুর্বৃত্তরা কচুরথলের মুলিয়ালা এলপি স্কুলে বোমা মেরে ক্ষয়ক্ষতি করেছিল।